John Romero commiserates with ousted id devs as around half the studio reported axed, says he hopes someone is preserving its work like he did before he left
· PC Gamer

· PC Gamer

· Dev.to
· Prothom Alo
দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে হার—বিষয়টা হজম করতে কষ্ট হবে যে কারও। মিসর কোচ হোসাম হাসানেরও কষ্ট হচ্ছে। তবে এমন হারের পেছনে পরোক্ষে ফিফা ও রেফারিকে দায়ী মনে করছেন তিনি।
Visit extonnews.click for more information.
মিসরের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে এবং আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসিকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ করেছেন মিসর কোচ। আটলান্টায় শেষ ষোলোর ম্যাচটিতে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা।
মিসর কোচের অভিযোগ, ভিএআর পর্যালোচনায় তাদের একটি গোল বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু এনজোর জয়সূচক গোলের আগে আর্জেন্টিনার আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার ফাউল করলেও সেটি ভিএআরে দেখা হয়নি। তাই হাসানের দাবি, মাঠের ঘটনার পাশাপাশি মাঠের বাইরের কারণও তাদের হারের জন্য দায়ী।
টুর্নামেন্ট থেকে মিসরের বিদায়ের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চেয়ে আমরা ভালো খেলেছি। প্রায় সব দিকেই আমরা এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু মাঠের ভেতরের কিছু সিদ্ধান্ত এবং মাঠের বাইরের কিছু বিষয় ম্যাচের ফলকে প্রভাবিত করেছে’ তিনি যোগ করেন, ‘হয়তো তারা চেয়েছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা টুর্নামেন্টে টিকে থাকুক। হয়তো তারা চেয়েছিল মেসি প্রতিযোগিতায় থাকুক।’
আর্জেন্টিনা সব দিক থেকেই সমর্থন পেয়েছে অভিযোগ করে হাসান বলেন, ফুটবলে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের চেয়ে কখনো কখনো বাইরের বিষয় বেশি প্রভাব ফেলে।
মিসর ন্যায্য বিচার পায়নি মনে করেন হোসাম হাসানআর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে প্রধান রেফারি ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। হাসান জানান, রেফারি নিয়োগ নিয়ে আপত্তি ছিল তাঁর দলের। মিসর কোচের দাবি, ‘ফ্রান্স-আর্জেন্টিনার অতীতের কারণে আমরা রেফারি নির্বাচনের বিরোধিতা করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভুগতে হয়েছে আমাদেরই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সম্মান বা ফেয়ার প্লে কিছুই পাইনি। মোহাম্মদ সালাহর ওপর হওয়া ফাউলের ঘটনায় সম্ভাব্য পেনাল্টি দেওয়া হয়নি, এমনকি ভিএআরেও দেখা হয়নি। আমাদের দ্বিতীয় গোলও অদ্ভুতভাবে বাতিল করা হয়েছে।’
রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মিসর কোচআর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার ম্যাক আলিস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে হাসান বলেন, ‘সবাই দেখেছে আমাদের খেলোয়াড়ের জার্সি টেনে ধরা হয়েছিল। অথচ সেটিও ভিএআরে দেখা হয়নি। বাস্তব জীবন অন্যায্য হতে পারে, কিন্তু খেলাধুলায়ও কেন ন্যায্যতা থাকবে না?’ এই ম্যাচের ফল এবং যেভাবে সবকিছু ঘটেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট নই। বলতে চাই ‘দুর্ভাগ্য’, কিন্তু বাস্তবে আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে।’
ম্যাচ শেষে রেফারি লেতেক্সিয়েরর সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটিও হয় মিসর কোচের। সে প্রসঙ্গে হাসান বলেন, ‘আমি রেফারিকে বলেছি, ‘‘এটা অন্যায়।’’ আমি বলেছি, হয়তো তাঁর লুকানোর কিছু আছে। কেউ যদি কিছু লুকানোর চেষ্টা করে, অনেক সময় সেটি লুকিয়ে রাখতে পারে না।’
সবশেষে তিনি বলেন, ‘যাই হোক, আমার কাজ শেষ। এই টুর্নামেন্টের আর কোনো ম্যাচ আমি দেখব না।’